করোনার প্রাদুর্ভাবেও শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী পালন করলেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদক:-

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট ১১ আগস্ট ২০২০ রোজ মঙ্গলবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী পালন করে।

সকাল ৭ টায় ঢাকার বঙ্ক বিহারী মন্দিরে কৃষ্ণপুজা, শ্রীমদ্ভগবতগীতা পাঠ, ভগবান শ্রীকৃষ্ণে জীবনী আলোচনা, গীতা ও প্রসাদ বিতরন করে।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবনী নিয়ে হিন্দু মহাজোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট বিধান বিহারী গোস্বামীর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি দিনবন্ধু রায়, মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, যুগ্ম মহাসচিব সাংবাদিক সুজন দে, ঢাকা মহানগরের সভাপতি ডিকে সমির, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল ঘোষ, হিন্দু যুব মহাজেটের প্রধান সমন্বয়কারী শ্রী প্রশান্ত হালদার,গৌতম সরকার অপু, হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সভাপতি সাজেন কৃষ্ণ বল,সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক বাধন ভৌমিক প্রমূখ।

অ্যাডভোকেট বিধান বিহারী গোস্বামী বলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পাঁচ হাজার বছর পূর্বে এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়ে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের যে নীতি আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সে নীতি আদর্শ সর্ব যুগে সর্ব সমাজে একান্ত উপযোগী।

অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জীবনী মানুষকে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাাঁড়ানোর প্রেরনা যোগায়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অগ্রজ সাত ভাইকে তৎকালীন অত্যাচারী রাজা কংস হত্যা করেন। তার পিতা মাতাকে কারাগারে আবদ্ধ রেখে কোন সন্তান জন্ম মাত্রই তাকে হত্যা করতো।

এক দৈব কারনে শ্রীকৃষ্ণকে হত্যা করতে পারেননি। শিশুকালে এবং পরিণত বয়সেও তাকে হত্যা করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিলো। তিনি জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন; আজীবন অন্যায় অত্যাচরের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। আজকের এই শুভ দিনে আমাদেরকেও শ্রীকৃষ্ণের জীবনী থেকে সংগ্রামের অনুপ্রেরণা নিয়ে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সর্বদা সংগ্রাম করে যেতে হবে।

যুগ্ম মহাসচিব সুজন দে বলেন সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে হিন্দু সমাজকে গালাগাল দিয়ে যে মানষিকভাবে নির্যাতন করা হয় তা থেকে সুরক্ষার জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ দেশের সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন প্রগতিশীল মানুষের সাহায্য কামনা করছি। কোন অশুভ শক্তি যাতে কোন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ নির্যাতন করে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের সকল মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে সারা দেশের সকল জেলা ও উপজেলার মন্দিরে মন্দিরে কৃষ্ণপুজা ভাগবত আলোচনা, কৃষ্ণ প্রসাদ বিতরন, গীতা বিতরন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *