আগামীকাল পার্শ্ব বা পার্শ্ব পরিবর্তিনী ব্রত একাদশী

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রনজিত কুমার পাল (বাবু) ঢাকা জেলা প্রতিনিধি: –

আগামীকাল ২৯শে আগষ্ট -২০২০ খ্রীস্টাব্দ শনিবার পার্শ্ব একাদশী- ব্রত অনুষ্ঠান পালন করবে সনাতনধর্মী সনাতনধর্মী হিন্দু নর-নারীগন। পারণ:- ৩০.০৮.২০২০ রবিবার সকাল ৫:১৭ থেকে ৮:২৩ পযন্ত।আজ আমরা আলোচনা করবো পার্শ্ব বা পার্শ্ব পরিবর্তিনী একাদশী বিষয়ে।

এই একাদশীর ব্রত কথা মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পূরণে উল্লেখ আছে। এই একাদশীর নাম কেনো পার্শ্ব বা পার্শ্ব পরিবর্তিনী…? ভগবান বিষ্ণু চাতুর্মাস্য মাসে ক্ষির সাগরে শ্বেতদ্বীপে অন্তত নাগের শরীরের উপর শয়ন করেন।ভগবানের শয়ন আরম্ভ হয়, শয়ন একাদশী থেকে, আর শয়ন শেষ হয় উত্থান একাদশী র দিনে,অর্থাৎ উত্থান একাদশী র দিনে ভগবান ঘুম থেকে উঠে পড়েন।

শয়ন একাদশী থেকে উত্থান একাদশী র মাঝখানের চারমাস সময় কে বলা হয় চাতুর্মাস্য ব্রত র সময়। এই চারটি মাসে ভক্ত রা বেশি করে ভগবানের আরাধনা, জপ, ঘি এর প্রদীপ দিয়ে আরতি করেন। আর বিভিন্ন মাসে বিভিন্ন খাদ্য গ্রহণ করা নিষেধ, সেগুলো ও ভক্ত রা পালন করেন।

যো বিনা নিয়মং মর্ত্যো ব্রতং বা জপ মেব বা।

চাতুর্মাস্য নয়েন মূর্খো জীবন্নপি মৃতো হি সঃ।।

অর্থাৎ:- যে ব্যক্তি নিয়ম ব্রত বা জপ ব্যতীত চাতুর্মাস্য যাপন করে, সেই ব্যাক্তি জীবন্মৃত। শ্রী ব্রহ্মা নারদ মুনি কে বলেছেন.. হে নারদ চাতুর্মাস্য ব্রত ভক্তি সহকারে পালন করলে মানুষ পরমাগতি লাভ করার সুযোগ পাবে।

শ্রাবণে বর্জয়েৎ শাকং দধি ভাদ্রপদে তথা।

দুগ্ধম আশ্বযুজে মাসি কার্তিকে চামিষং ত্যাজেৎ।।

অর্থাৎ:- শ্রাবণ মাসে শাক, ভাদ্রে দই, আশ্বিনে দুধ এবং কার্তিকে মাষকলাই ডাল খাওয়া চলবে না। এই সময়ে এই দ্রব্য গুলো রোগ সৃষ্টি করে, মন বিক্ষিপ্ত করে। কর্মী,জ্ঞানী, যোগী ও ভক্ত প্রভৃতি সকলের মঙ্গলের জন্যই চাতুর্মাস্য পালন করা আবশ্যক।পার্শ্ব একাদশীর দিন ভগবান বিষ্ণু পার্শ্ব পরিবর্তন করেন অর্থাৎ ভগবান বিষ্ণু বাম পাশ থেকে ডান পাশ পরিবর্তন করেন। আমরা যেমন একভাবে ঘুমাতে পারি না, ডান পাশ বাম পাশ ঘুরে ফিরে ঘুমাই,ঠিক সেই ভাবেই ভগবান বিষ্ণু এই পার্শ্ব একাদশী র দিন বাম পাশ থেকে ডান পাশ পরিবর্তন করে ঘুমাই। তাই এই পার্শ্ব একাদশী টি খুবই মাহাত্ম্য পূর্ণ। রাধে রাধে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *