মানিকগঞ্জ জেলায় ৪৭২টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রনজিত কুমার পাল (বাবু) ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:-

সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। শ্রীশ্রী দুর্গাপূজার বাকী আর মাত্র অল্প কিছু দিন।

এরই মধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে বেশিরভাগ মণ্ডপে। এখন চলছে রং তুলির কাজ।

প্রতি বছরই দুর্গাপূজা মণ্ডপের সংখ্যা বাড়লেও বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে এবার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে রাজধানীর পাশের জেলা মানিকগঞ্জে।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য মতে, গেলো বছর মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলা ও দুইটি পৌরসভার মোট ৫০৬টি পূজা মণ্ডপে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল শারদীয় দুর্গোৎসব।

তবে এবার পুরো জেলার ৪৭২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন চলছে। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭০টি এবং পৌরসভায় ২৭টি, সিংগাইর উপজেলায় ৫২টি এবং পৌরসভায়১০টি।

এছাড়া সাটুরিয়া উপজেলায় ৬০টি, ঘিওরে ৭৪টি, দৌলতপুরে ৩৮টি, শিবালয়ে ৮২টি এবং হরিরামপুর উপজেলার ৫৯টি মণ্ডপে পূজার প্রস্তুতি চলছে। মানিকগঞ্জ পৌরসভার হিজুলি এলাকার অতিন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব বলেন, ২২ অক্টোবর পঞ্চমী পূজার মাধ্যমে দুর্গা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

আর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে ২৬ অক্টোবর। এরই মধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রতিমায় রং তুলির কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

মানিকগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনির্বান কুমার পাল বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব এর কারণে এবার জেলায় দুর্গাপূজার সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া মণ্ডপে বা এর আশেপাশের এলাকায় উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স ব্যবহার, অতিরিক্ত আলোকসজ্জা, আরতি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে না।

করোনার কারণে এবার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হইবে কিন্তু উৎসব উদযাপন করা যাবে না। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী শর্তাবলি মেনে শারদীয় দুর্গাপূজা যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে। সেভাবে সকল পূজা মন্ডপের কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভায় জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস বলেন, করোনার কারণে প্রতিটি মণ্ডপে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। দর্শনার্থী, ভক্ত ও পুরোহিতসহ সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মণ্ডপে নারী ও পুরুষদের যাতায়াতের জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকতে হবে। আতশবাজি ও পটকা ব্যবহার করা যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *